বর্তমানে সদ্য গ্র্যাজুয়েট করা তরুণ তরুণীদেন মধ্যে শিক্ষা খাতে যোগদান করার আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যারই প্রেক্ষাপটে আজকে আলোচনা করব ১৯তম নিবন্ধন জব সার্কুলার সম্পর্কে। শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার দেওয়া হয়ে থাকে বিভিন্ন এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিচার নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে।
কিছুদিন আগে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি তারপরে একটি গণ বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়েছে, যেটির আবেদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আপনারা যারা ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন জব সার্কুলারের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং এই বিষয়ে জানতে আগ্রহী তারা নিচের পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন
শিক্ষক নিবন্ধন জব সার্কুলার কি (19th Ntrca job Circular)
আমরা জানি যে কোন চাকরিতে যোগদানের জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়। তারপর আবেদন শেষে প্রিলিমিনারি, রিটেন, ভাইবা ইত্যাদির ধাপ পার করে চূড়ান্তভাবে চাকুরীর সুযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এর কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে।
বাংলাদেশ শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে প্রথমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ইতিমধ্যে ১৮টি শিক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে এবং সামনে ১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন জব সার্কুলার প্রকাশিত হবে।
যারা শিক্ষাগত পেশায় যোগদানে আগ্রহী তারা এই নিবন্ধন সার্কুলার অনুযায়ী আবেদন করে। আবেদনের যোগ্যতা অনার্স বা সমমান পরীক্ষায় পাশ। অনেক সময় সার্কুলারে নির্ধারিত সিজিপিএ উল্লেখ করা থাকে।
১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন নিয়োগ জব সার্কুলার
চলতি বছরের সার্কুলার টি এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। তবে আশা করা যাচ্ছে যে চলতি মাসে অথবা আগামী দুই মাসের মধ্যেই এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হবে। এবং যখনই এই বিজ্ঞপ্তি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করবে সাথে সাথে আমাদের এই ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে। তাই সবার আগে আপডেট থাকতে নিয়মিত এই ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রক্রিয়া
আবেদন করার পর মূলত তিনটি ধাপে পরীক্ষা হয়। যার মধ্যে একটি হচ্ছে প্রিলিমিনারি, একটি হচ্ছে লিখিত এবং অপরটি হচ্ছে ভাইভা। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র সবার জন্য একই রকম থাকে। এই পরীক্ষা পদ্ধতিটি হচ্ছে মূলত বহুনির্বাচনী এমসিকিউ পদ্ধতি।
এই প্রিলি পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয় তাদেরকে রিটেন পরীক্ষা দিতে হয়। এই রিটেন পরীক্ষা অনেকটাই এসএসসি বা এইচএসসির ফাইনাল পরীক্ষার মতোই। যে যে বিষয়ে অনার্স সম্পন্ন করেছে এবং যে বিষয়ে শিক্ষক হতে চায় মূলত সে বিষয়গুলোর উপরেই রিটেন পরীক্ষা দিতে হয়। সামনে যখন ১৯ তম নিবন্ধন জব সার্কুলার প্রকাশিত হবে তখন আমাদের ওয়েবসাইটে এই লিখিত পরীক্ষার খুটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করবো।
রিটেন পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয় তারা পরবর্তীতে ভাইবা পরীক্ষা দেয়। তারপর ভাইভা পরীক্ষা শেষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নিবন্ধন সনদ পেয়ে থাকে।
গণবিজ্ঞপ্তি কি ও আবেদনের প্রক্রিয়া
যারা চূড়ান্তভাবে নিবন্ধন সনদ পেয়ে থাকে তারাই যে একজন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে গেলেন বিষয়টি এমন নয়। প্রতিবছরে বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে টিচার রিক্রুটের উদ্দেশ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
একজন নিবন্ধন সনদধারী প্রার্থী এই গণ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পছন্দের স্কুল কলেজে আবেদন করতে পারে। এখানে উল্লেখ্য স্কুল এবং কলেজে আবেদন করার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অর্থাৎ যারা স্কুলে যোগদান করবেন তাদেরকে স্কুল পর্যায়ে এবং যারা কলেজের যোগদান করবে তাদেরকে কলেজের পর্যায়ে আলাদা পরীক্ষা দিতে হয়।
তো সনদধারী প্রার্থীরা গণবিজ্ঞপ্তি এবং পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবেদন করলে চূড়ান্তভাবে এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ একটি ফলাফল প্রকাশ করে। যে ফলাফলে মূলত কোন প্রার্থী কোন স্কুল কিংবা কলেজে যোগদান করার সুযোগ পাবে তা উল্লেখ থাকে। এই ফলাফল পাওয়ার পর একজন প্রার্থী সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক হিসেবে যোগদান করতে পারে।
সামনে যারা এই পরীক্ষার জন্য অর্থাৎ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন জব সার্কুলারের (19th Ntrca job Circular) জন্য অপেক্ষায় আছো তাদের জন্য শুভকামনা। নিবন্ধন ও নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতির সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের তথ্যের জন্য আমাদের ফেসবুক পেইজে মেসেজ দিন।
