যারা ইমপোর্ট এক্সপোর্ট বিজনেসের আইডিয়া সম্পর্কে জানতে চান। তাদের জন্য আমরা আজকের এখানে Import Export Business Statistics সম্পর্কে ধারণা দেবো। যাতে করে ব্যবসা করার পূর্বে আপনারা বুঝতে পারেন যে এটি কতটা লাভজনক কিংবা লাভ হবে সে বিষয় সম্পর্কে। আসুন এ বিষয়ে আপনাদের পেস্ট এর সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করি আমরা যাতে করে পরবর্তী সময় কোন ক্ষতির সম্মুখীন না হতে হয় আপনাদেরকে।
প্রথমে আপনাদেরকে জানতে হবে যে এই ধরনের বিজনেস কি বা কিভাবে প্রক্রিয়া চলমান থাকে। কেননা যে কোন বিজনেস করতে গেলে প্রথমে সে বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে এবং এটি কতটা লাভজনক কিংবা কিভাবে প্রক্রিয়াবান হয়ে থাকে সে বিষয় সম্পর্কে। কারণ ব্যবসা ক্ষেত্রে মূলধন ব্যয় করতে হয় যা হারালে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন অনেকেই। প্রথমে জানবো ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট মানে কি। ইমপোর্ট করা হচ্ছে কোন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করা বা নিয়ে আসা। আর এক্সপোর্ট মানে হচ্ছে কোন পণ্য বা সার্ভিস পাঠিয়ে দেওয়া বা রপ্তানি করা। যদি আপনার দেশের বাইরের বিষয় নলেজ থাকে এবং আমদানি রপ্তানি বিষয়ক নিয়মকানুন সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে যান সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য এই বিজনেস হবে অত্যন্ত লাভজনক।
মূলত ইমপোর্ট এক্সপোর্ট বিজনেস মানে হচ্ছে যে এক দেশ থেকে অন্য দেশে সার্ভিস লেনদেন করা যার মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা যায়। দেখা গিয়েছে তারা এ পর্যন্ত সফল ব্যবসায়ী হয়েছেন তারা অধিকাংশই ইমপোর্ট এক্সপোর্ট এর বিজনেস করে থাকেন। আর এভাবেই তারা বিশ্বের মধ্যে নিজের বিজনেস এর বিস্তার ঘটিয়েছেন। আর তাই আপনারা যারা এই পরিকল্পনা করছেন বা বিজনেস করে লাভজনক হওয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা করছেন তারা এই প্রতিবেদন থেকে আইডিয়া নিতে পারবেন এবং নিজেদেরকে সফল হওয়ার ধার প্রান্তে পৌঁছে যেতে পারবেন। চলেন তাহলে আমরা এই বিষয় নিয়ে আপনাদেরকে জানিয়ে দেই এখন।
ইমপোর্ট এক্সপোর্ট বিজনেসের আইডিয়া
এ বিজনেসের ক্ষেত্রে প্রথমে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেটি হচ্ছে এক্সপোর্ট ইম্পরট্যান্ট ডকুমেন্টগুলো বুঝতে পারা। যেমন বিদেশে পণ্য রপ্তানি কিংবা আমদানি করতে গেলে কোন কোন ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয় এবং খরচ কত সে সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কারণ আপনি যদি এ খরচের হিসাব না জানেন তাহলে লাভবান হতে পারবেন না। আর যদি সঠিক ডকুমেন্ট না থাকে সেক্ষেত্রে সফল ও হতে পারবেন না আপনি। আর এক্ষেত্রে অবশ্যই জানতে হবে কোন দেশে পাঠাতে কত টাকা খরচ হয় এবং কোন শিপমেন্ট দ্রুত তাড়াতাড়ি করা যায়। কারণ আপনি প্রোডাক্টগুলোর যত দ্রুত ট্রান্সপোর্ট করবেন তত বেশি আপনি কাস্টমারের কাছে ভালো হবেন এবং আপনার কাছ থেকে নিচে আগ্রহিত হবে। তাই এই বিষয় সম্পর্কে সর্বপ্রথম জানা জরুরী।
আপনারা চাইলে ইউটিউবে সকল ভিডিও দেখতে পারেন এবং সেখান থেকে ধারণা নিতে পারেন। এরপর আমরা আসি আলোচনার মূল বিষয়। এখানে এখন আমরা জানব যে কোন বিষয় জানা দরকার। আপনি যদি ইমপোর্ট করতে চান তাহলে দেখতে হবে যে কোন দেশের কোন পণ্য কিংবা কোন পণ্য আপনি এদেশে আমদানি করতে চাচ্ছেন সে পণ্য নির্বাচন করা। ধরুন আপনি মোবাইল অথবা কম্পিউটারে কোন পার্টস ইমপোর্ট করতে চাচ্ছেন। আপনাকে দেখতে হবে যে কোন দেশে এই পার্সের মূল্য কম সে বিষয়টি সিলেক্ট করা। তারপর ওই দেশ থেকে আমদানি করে বাংলাদেশে আনা পর্যন্ত বাংলাদেশে পাইকারি দাম কত টাকা হবে সে বিষয়টি দেখতে হবে। যদি ওই দেশটাকে ইমপোর্ট করার পর সকল খরচ বাদে এখানে পাইকারি বিক্রি মূল্য এর সমান বা এর থেকে কম হয়ে থাকে তাহলে ইমপোর্ট করতে পারবেন।
পণ্য রপ্তানি করার দিক থেকেও এ বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। কারণ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে কম দামে পণ্য রপ্তানি করতে পারবেন অর্থাৎ পণ্য পাঠাতে পারবেন সে বিষয়টি। কারণ রপ্তানি খারাপ পণ্য অবশ্যই আপনি যে দেশে পাঠাতে চাচ্ছেন ওই পণ্য যেন ওই দেশের থেকে আমাদের দেশে পণ্যের মূলের দাম কম হয়। এ দেশ থেকে যত টাকায় পাঠাচ্ছেন সব খরচ বাদে ওই দেশে পাইকারি বিক্রিত মূল্যের সমান বা কম হয় তাহলে ওই দেশে পণ্য বেশি বেশি করে রপ্তানি করতে পারবেন। তাই এ বিষয়ের খেয়াল রাখতে হবে এবং এভাবে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট বিজনেসের আইডিয়া নিয়ে কাজ করতে হবে।