প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের গাছ মানুষের রোগ নিরাময়ের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তাই আপনি যদি ওষধি কাছে নামের তালিকা ও বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন তাহলে এড়িয়ে চলতে পারবেন অনেক ধরনের রোগ বালাই। কারণ এই ধরনের গাছ বাড়ির আশেপাশের খুব সহজে চাষ করা যায়। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা এই উপাদানগুলি ব্যবহার করে আমরা নিরাপদ ও সুস্থ থাকতে পারি।
দিন যত যাচ্ছে পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে মানুষের অসুখ-বিসুখের পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর অন্যতম আরো একটি কারণ হচ্ছে ভেজাল খাদ্য। তাই বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গাছের গুরুত্ব আমাদের জীবনে অপরিসীম হয়ে উঠেছেন। আজকে আমি আলোচনা করব বিভিন্ন ঔষধি গাছের উপকারিতা এবং পরিবেশের সুরক্ষায় এদের ভূমিকা নিয়ে।
ঔষধি গাছের স্বাস্থ্য উপকারিতা
অসুখ হলে আমরা ডাক্তার দেখাই এবং মেডিসিন গ্রহণ করি। অনেকে আছেন যারা কিনা মেডিসিন খেতে আগ্রহ বোধ করেন না। বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং উপাদান দ্বারা মেডিসিন তৈরি করা হয়। তবে এই মেডিসিনের পরিবর্তে ঔষধি গাছ বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার করেও রোগ নিরাময় করা যায়। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই চিকিৎসা পদ্ধতি এখনো জনপ্রিয়। যেখানে এখনো ধরনের আধুনিক মেডিসিন ব্যবহার না করে শুধুমাত্র ঔষধি গাছের বিভিন্ন উপাদান দিয়ে তৈরি ওষুধের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের রোগ ভালো করা হয়। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতেও এই ধরনের ভেষজ উপাদান গুলোর ব্যবহার আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় সর্দি-কাশি এবং জ্বর নিরাময় করার জন্য তুলসী, গ্যাস্ট্রিক এবং গলা ব্যথার জন্য আদা ইত্যাদির ব্যবহার।
ঔষধি গাছের তালিকা ও ব্যবহার
প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকলে নিজেরাই অনেক বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো যায়। যারা কিনা সামান্য একটু জ্বর, সর্দি, ঠান্ডা হলে এই ডাক্তারের কাছে দৌড়ান তাদের জন্য ঔষধি গাছের ব্যবহার গুলি জানার খুবই জরুর। এতে করে একদিকে যেমন টাকা এবং অর্থ বাঁচবে অপরদিকে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে রোগ সারানোর ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তাই নিজের পুরো তালিকাটি মনোযোগ সহকারে করুন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কেউ এ ব্যাপারে যথাযথ প্রশিক্ষণ।
১। অ্যালোভেরা গাছের ব্যবহার
প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের চর্ম রোগের চিকিৎসায় অ্যালোভেরা গাছ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই গাছ হতে যে জেল পাওয়া যায় সেটি আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তাইতো বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী উপাদান এবং মেয়েদের সৌন্দর্য চর্চায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই উপাদানটি ব্যবহার করার ফলে আরো যে উপকার পাওয়া যায় তা হল:
• আমাদের দেহের বিভিন্ন ধরনের খোসপচড়া এবং জ্বালাপোড়া কমায়
• তৈলাক্ত ত্বককে শুষ্ক এবং নমনীয় রাখতে সাহায্য করে
• সূর্যের পুড়ে যাওয়ার ত্বক ভালো করে।
• নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে
• ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে
• এটি খেলে হজমের সমস্যা দূর হয়
• চুলের পুষ্টি বৃদ্ধি করে
অ্যালোভেরাতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি এবং ডি। তবে এর ব্যবহারের ধরন ভিন্ন ভিন্ন। কেউ কেউ এটি সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করে অথবা বিভিন্ন রেসিপির মাধ্যমে খাওয়ার উপযোগী করে নিয়মিত গ্রহণ করে। ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার জেল বের করে সেটা দিয়ে আইস কিউব বানিয়েও নিয়মিত মুখে ব্যবহার করলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।
২। মেথির স্বাস্থ্য গুণ
আমাদের ঔষধি গাছের তালিকায় এবার রয়েছে মেথি। সৌন্দর্য বর্ধনের পাশাপাশি রান্নার কাজেও ব্যবহার করা যায়। এর অনেক গুণ রয়েছে যা থেকে আমরা বিভিন্ন ধরনের উপকার পেতে পারি।
প্রথমত আমাদের দেহের হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে মেথি অত্যন্ত কার্যকর। বিভিন্ন ধরনের হজমজনিত সমস্যা দূর করে আমাদের পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এই মেথি।
দ্বিতীয়ত এই খাদ্য উপাদানটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় গ্যাস্ট্রিক কমাতে সাহায্য করে। পাচনতন্ত্রের এসিড নিয়ন্ত্রণ করে যেকোনো ধরনের পেট ব্যথা খুব সহজে উপশম করতে পারে মেথি। এমনকি মেটাবলিজম শক্তি বাড়িয়েও আমাদের কে সুস্থ রাখতে পারেন।
মেথির চা নিয়মিত পান করলে আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং কোলেস্টেরল কমাতেও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবেন। এর জন্য অবশ্যই এক কাপ গরম পানির সাথে এক চামচ মেথি নিতে হবে।
আমাদের দেহের এলডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইট কোলেস্টরেল কমিয়ে হ্রদ যন্ত্রকে সুস্থ রাখতে মেথির জুরি মেলা ভার। একই সাথে হ্রদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য উপকারী কোলেস্টরেল হাইডেনসিটি লিপিড প্রোটিন বাড়ায়।
৩। তুলসী পাতা
ঔষধি গাছের তালিকা আর তুলসী পাতার নাম থাকবে না তা তো হয় না। সমস্ত পৃথিবী জুড়েই ঔষধি গাছের নামের তালিকায় শীর্ষে থাকবে এটি। গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম ওসিনাম টেনুইফ্লোরাম। এই উদ্ভিদটি লামিয়াসে পরিবারের অন্তর্গত এবং সুগন্ধি পাতার জন্য সারা বিশ্ব জুড়ে চাষ করা হয়। তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ব্যাপকভাবে জন্মায়। হারবাল চা থেকে শুরু করে জ্বর, ঠান্ডা, সর্দি-কাশির জন্য এই পাতার রস ব্যবহার করেনি এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল।
সনাতন ধর্মেও এটিকে পবিত্র গাছ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই লাগানো হয়। শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতা নেয় বরং মানসিক সুস্থতার জন্যও এটি অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। এই পর্বে আমরা জানবো তুলসী পাতার উপকারিতা সম্পর্কে।
ইমিউনিটি বৃদ্ধি
করোনাকালীন সময়ে আমরা অনুধাবন করতে পেরেছি যে দেহের ইমিউনিটি বাড়ানোর কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তুলসী পাতার এন্টিঅক্সিডেন্ট এন্টিভাইরাল অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুন আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি পায়। এই পাতায় থাকা ফাইটো কেমিক্যাল আমাদের ইউনিয়ন সিস্টেমকে অনেক বেশি শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল দূর করে এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বলে।
মানসিক চাপ গ্রাস করতেও তুলসীপাতার উপকারিতা রয়েছে। এই পাতায় থাকা বিভিন্ন উপাদান আমাদের মনকে শান্ত এবং স্থির রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। যারা কিনা সর্বদা মানসিক চাপ বা স্ট্রেস নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য তুলসী পাতার চা খুব উপকারী হতে পারে। এমনকি এটি যে তেল বানিয়ে মাথায় মেসেজ করলেও মিলবে শান্তি।
তুলসী পাতার তেলে মাধ্যমে আমাদের মাথা ব্যথা কমায় ভালো ঘুম হয়।
৪। রসুনের উপকারিতা
রান্নাবান্নার কাজে সারা বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত রসুন ঔষধি গাছের মধ্যে অন্যতম। এটি একদিকে যেমন খাবারের স্বাদ বাড়ায় অপরদিকে প্রাচীনকাল থেকে রোগ বালাই প্রতিরোধে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে। ওষুধি গাছের তালিকায় এখন আমরা জানবো রসুনের স্বাস্থ্য গুণ।
এটিকে বলা হয় প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক। হৃদরোগের প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী এবং রক্ত চাপ কমায়। আমাদের দেহে যেসকল খারাপ কোলেস্টেরল রয়েছে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতেও রসুন কার্যকরী। তাছাড়
• দেহের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
• ধমনীতে চর্বি জমতে বাধাদান করে
• দেহের ভেতরে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি হ্রাস করে
যারা কিনা নিয়মিত রসুন খান তাদের হৃদরোগের ছবি অনেকটাই কমে যায়। এটি খাওয়ার অন্যতম একটি জনপ্রিয় উপায় হল খালি পেটে এক কোয়া রসুন খাওয়া।
আমি আগে একবার উল্লেখ করেছি প্রাকৃতিক এই এন্টিবায়োটিকে রয়েছে এলিসিন উপাদান যা কিনা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। এমনকি যে কোনো ধরনের সংক্রমণজনিত রোগ হলে রসুনের রস কিংবা ফ্রেশ ব্যবহার করলে খুবই দ্রুত আরোগ্য লাভ করা যায়।
৫। পুদিনা পাতা
বাংলাদেশের গ্রাম ও শহর উভয় এলাকায় এই পুদিনা পাতা খুবই জনপ্রিয় একটি উদ্ভিদ এবং রান্নার কাজে ব্যবহৃত উপাদান। এটির বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে মেন্থা। রান্নার স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি এর ঔষধি গুনাবলিও অনেক। এর তীব্র গন্ধ যেমন খাবারের আইটেমকে সুগন্ধি করে তোলে ঠিক তেমনি ভাবেই নানাবিধ ব্যবহারে আমাদের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।
আমাদের দেশে বোরহানি তৈরিতে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা হয়। পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী, খাবার হজমে সহায়তা করে এবং পেটের সমস্যা দীর করে পুদিনা পাতা।
যাদের কিনা গ্যাসের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত পুদিনা চা পান করলে সেটি দূর হয়ে যাবে। এমনকি বমি বমি ভাব ও থাকবে না। শরীরে অমরতা কমাতেও পুদিনা পাতা বেশ কার্যক্রম। এর আরো কিছু উপকারিতা হচ্ছে
• পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চিবালে মুখের ভেতরের তাপমাত্রা কমে।
• এই পাতার তেল ব্যবহারে আমরা এক শীতল অনুভূতি পাই।
• গরমের দিনে পুদিনা পাতা দিয়ে পানি কিংবা জুস পান করলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
• পুদিনা পাতার উপকারিতা গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এটি তেল ব্যবহার করলে মাথা ব্যথা কমে এবং মনে প্রশান্তি আসে।
৬। দারুচিনি
ওষধি গাছের তালিকায় কিংবা বিভিন্ন ওষধি গাছের উপকারিতার এই পর্যায়ে আমরা জানবো দারুচিনির ব্যবহার। দারুচিনি ছাড়া বিভিন্ন ধরনের মাংস রান্না আমরা যেন কল্পনাই করতে পারি না। এটা শুধুমাত্র রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে তাই নয় বরং এরও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুণাবলী। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর এন্টিফাংগাল গুণ এবং শর্করা নিয়ন্ত্রণ।
দারুচিনি খাওয়ার উপকারিতা
• দেহের ইনসুলি রিসেপ্টর কার্যকরি করে রক্তের গ্লুকোজ বৃদ্ধি করতে কার্যকর।
• নিয়মিত দারুচিনি খেলে আমাদের গ্লুকোজের শোষণের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্তে এটির ভারসাম্য বজায় থাকে।
• দারুচিনিতে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান গুলো মানসিক ট্রেস কমাতে সহায়তা করে।
• বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে নিয়মিত মাত্র ১ গ্রাম দারুচিনি খেলে রক্তের শর্করা মাত্রা কমে যায়।
দারুচিনির উপকারিতা গুলোর মধ্যে আরও একটি রয়েছে এর এন্টি ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। যা কিনা দেশে দেহের বাইরে এবং অভ্যন্তরের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে খুবই কার্যক্রম। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ক্যান্ডিডা নামের এক ধরনের ফাঙ্গাসের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে এই দারুচিনি। ত্বকে বিভিন্ন ধরনের ফাঙ্গাস সংক্রমণ দ্রুত প্রতিরোধ করতে পারে।
রান্নায় ব্যবহার করার পাশাপাশি অনেকেই এটিকে এমনিতেও খেয়ে থাকেন।
৭। জিরা
বাংলাদেশের বাজারেও একসময় জনপ্রিয় ছিল জিরা পানি। প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গাছ আমাদের স্বাস্থ্য ও রক্ষা করে আসছে। যে পরিমাণ প্রোটিন থাকে সে গুলো আমাদের দেহের কোষ গঠন করতে পারে। এর অভ্যন্তরে থাকা ফাইবারগুলি আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নতি করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ভিটামিন সি এর অভাব রয়েছে তারাও জিরা খেতে পারে। এমনকি জিরায় থাকা আয়রন আমাদের শরীরের রক্ত গঠনের পাশাপাশি এনিমিয়া দূর করে। জিরা দ্বারা বিভিন্ন ধরনের কোমল পানিও তৈরি করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রান্নার ব্যবহার করেও এটি আমরা খেতে পারি।
ঔষধি গাছের তালিকায় জিরা অন্যতম। দেহের বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ গ্যাস্টিক সমস্যা দূর ইত্যাদিতে বেশ কার্যকর।
ঔষধি গাছ কিভাবে চাষ করবেন
আমরা ইতিমধ্যে জেনে গেয়েছি ওষধি গাছের তালিকা এবং ওষধি গাছের ব্যবহার সম্পর্কে। যেহেতু এই ধরনের গাছ চাষ করার জন্য দরকার আলাদা পরিচর্যা এবং জ্ঞান তাই সেগুলো আগে থেকে জেনে নেওয়া ভালো।
• যেকোনো ধরনের এবং ভালো মানের ঔষধি গাছ রোপণ করার আগে অবশ্যই মাটি প্রস্তুত করে নিতে হবে।
• আপনি যেই ওষধি গাছই লাগান না কেন সেটাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যের আলো পড়বে কিনা সেজন্য যথাযথ জায়গা নির্বাচন করুন।
• গাছের ধরন অনুযায়ী নিয়মিত পানি দিতে হবে।
• গাছের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত শেয়ার দিতে হবে এতে করে যে কোন গাছেরই বৃদ্ধি ভালো হয়।
• গরু ছাগলে যেন তা নষ্ট করে এবং পোকামাকড় যেন আক্রমণ না করে তার জন্য প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আমাদের শেষ কথা
কথায় আছে সুস্থ দেহ সুন্দর মন। পরিবেশ বিপর্যয়, কলকারখানার কালো ধোঁয়া, দূষিত বাতাস, বিশুদ্ধ পানির অভাব ইত্যাদির কারণে বর্তমানে মানুষ প্রায়ই নানা ধরনের অসুখ-বিসুখে ভুগছে। যেহেতু রোগ বালাই আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গে তাই যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপায়ে এগুলো নিরাময় করায় বুদ্ধিমানের কাজ। ওষুধি গাছের তালিকা জানার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গাছের ব্যবহার জানা আমাদের সুস্থ থাকার জন্য অপরিহার্য।
শাকিব খানের সিনেমা দেখতে এখানে চাপ দিন
