যারা পুরাতন মোবাইল কিনতে চায়। তাদের প্রথম প্রশ্ন থেকে রিকন্ডিশন মোবাইলগুলো কেনা লাভজনক কিনা। আর এ সকল মোবাইল কেনার পূর্বে কি কি বিষয়ের সতর্ক থাকতে হয় সে বিষয় নিয়েও তাকে নানা ধরনের প্রশ্ন এবং সন্দেহ। তাই আমরা আজকে Reconditioned Mobile Buy Sell নিয়ে আজকের এই প্রতিবেদন সাজিয়েছে যাতে করে মোবাইল কেনার পূর্বে অবশ্যই সঠিক বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন এবং চিন্তা সক্ষম হয়ে থাকেন।
বর্তমান সময়ে কম বেশি সবাই মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন। আর এ সকল মোবাইলের মধ্যে অধিকাংশই ব্যবহার করে থাকেন এন্ড্রয়েড মোবাইল বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মেরা এই ধরনের মোবাইল বেশি চালিয়ে থাকে। কিন্তু এই এন্ড্রয়েড মোবাইল কিবা স্মার্টফোন নতুন চালানো সামর্থ্য সবার মধ্যে নেই। আর এই নতুন চালানোর জন্য সবার যদি সামর্থ্য না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে যে বিষয়টি দেখা যায় সেটি হচ্ছে অনেকে পুরাতন মোবাইল গুলো কিনে থাকেন। কেউ আছে অতি আত্মীয় নিকট কিন্তু বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে কিনা থাকেন সে বিষয়টি তেমন ঝামেলা যুক্ত হয় না। কিন্তু যারা বাইরে থেকে কিনতে চান ভাই কিনার জন্য আগ্রহ পোষণ করে থাকেন তাদের জন্য এটি বড় ধরনের সমস্যা। কেননা পুরাতন মোবাইল কিনে অনেকের জেল হবে পর্যন্ত হয়েছে এমনকি জীবন পর্যন্ত চলে গিয়েছে।
তাই আপনাদেরকে এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করব এবং রিকন্ডিশন মোবাইল নিয়ে আলোচনা করব আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বরং লাভবান হবেন। এখানে সকল দুর্দান্ত টিপস এবং ট্রিক্স গুলো শেয়ার করা হচ্ছে যাতে করে মোবাইল কেনার পূর্বে সকল বিষয়গুলো জেনে বুঝে তারপর মোবাইল কিনতে পারে একজন মোবাইল ক্রেতা। বিশেষ করে যারা নতুন তাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক এটি।
রিকন্ডিশন মোবাইলগুলো কেনা লাভজনক কিনা
আমরা প্রথমে আপনাদেরকে বলে রাখছি যে এই রিকন্ডিশন মোবাইল গুলো কিনার লাভজনক যদি আপনার সঠিকভাবে কিনতে পারেন। আর যদি এটি সঠিকভাবে কিনতে না করেন বা না পারেন তাহলে সেটি অবশ্যই ক্ষতিকর। আর কি কি করলে আপনি লাভবান হবেন বা কেনার পূর্বে সে বিষয়ে সম্পর্কে আমরা আপডেট কিছু জানানোর চেষ্টা করব আপনাদেরকে।
মোবাইলের ফিজিক্যাল কন্ডিশন
মোবাইল কেনার পূর্বে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি দেখতে হবে যে মানে চোখের নজরে যেতে পারে সেটি হচ্ছে ফিজিক্যাল কন্ডিশন। যদি কোন প্রকার ভাঙ্গা কিংবা এস্কেচ না থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনারা নিতে পারেন। কারণ উপরের ভাগ্য যদি ভাঙ্গা থাকে সেক্ষেত্রে আপনি মোবাইল কেনার প্রতি আগ্র হারিয়ে ফেলবেন এবং এটি ড্যামেজ সে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যাবে। তাই অবশ্যই আপনাদেরকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে এবং ফিজিক্যাল কন্ডিশন ভালোভাবে দেখে নিন। আর একই সঙ্গে আপনারা এটি চেক করে নিবেন।
ইন্টারনাল সার্ভিস
আপনাকে অবশ্যই ইন্টারনেট সার্ভিস গুলো ভালোভাবে দেখে দিতে হবে। কারণ এর স্পিড এবং অন্যান্য পার্টগুলো ঠিক আছে কিনা এবং কেমন কাজ করে থাকে এ বিষয়গুলো। যাতে করে মোবাইল চালিয়ে ভালো পারফরম্যান্স পান। যদি এক্ষেত্রে লিটনাল বিষয়গুলো ভালোভাবে চেক করে নেবেন। বিশেষ করে ক্যামেরা, ভারী এপ্স গুলো চালিয়ে দেখতে হবে।
মোবাইলের মালিকানা
মোবাইল গুলো কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনার জন্য প্রথমে যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে সেটি হচ্ছে এর মালিকানা। মোবাইল কেনার পূর্বে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে নেবেন যে তাদের এই মোবাইলের বক্স রয়েছে কিনা। সঙ্গে মেমো দেখে নিবেন। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে ম্যামো গুলো নকল হয়ে থাকে কিংবা ভুয়া হয়ে থাকে। যদি আপনার নিকটস্থ অথবা কোন শোরুম থেকে না কেন তাহলে অবশ্যই তাদের সঙ্গে একটি ছবি তুলুন বা তাদের একটি ছবি তুলে রাখুন পরিচয় এর জন্য আর পরিচয়পত্র সংরক্ষণ করে রাখুন। ভবিষ্যতে কোন ধরনের ঝামেলা হবে তাহলে যেন তাদেরকে ধরতে পারেন।
একই সঙ্গে আপনার যতটা সম্ভব কোন আউটলেট অথবা লাইসেন্সযুক্ত শোরুম দিকে এ ধরনের ব্যবহৃত মোবাইল গুলো কেনা। বর্তমান সময়ে এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেখানে বিশ্বস্ততার সাথে মোবাইল গুলো বিক্রি করা হয় আপনারা সেখান থেকে নিতে পারেন নির্দিষ্ট সার্ভিস গ্যারান্টি সহ বিভিন্ন ডকুমেন্টে। আশা করা যাচ্ছে রিকন্ডিশন মোবাইল কেনা লাভজনক কিনা বুঝতে পেরেছেন।
